বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৬:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বিস্ফোরক আইনের মামলায় কুলিয়ারচর বিএনপি’র ১৩ নেতাকর্মীর জামিন নামঞ্জুর ‘মার্কিন দূতাবাসে নালিশের পর নালিশ করেও লাভ হয়নি’ কুলিয়ারচরে বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতি’র নির্বাচন-২০২২ অনুষ্ঠিত চাটখিলে ব্রাজিল সমর্থকদের ১৮০ ফুট পতাকা নিয়ে মিছিল টেকসই উন্নয়নে- নবায়ন যোগ্য জ্বালানী” প্রতিপাদ্যে আইডিইবি’র ৫২ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ঘিওরে নানা আয়োজনে জাতীয় সমবায় দিবস পালিত চাটখিলে পেট্রোল ঢেলে দোকান পোড়ানোর অভিযোগ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মেধা তালিকা প্রকাশিত নবীগঞ্জে ইমামবাড়ী রাজরাণী সুভাগিনী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে নিয়োগ কমিটিতে অনিয়মের অভিযোগ ফ‌লোআপঃ বন মামলা থে‌কে রেহায় পে‌তে লাখ টাকার মিশ‌নে পাহাড়‌খে‌কো প্রবাসী সায়মন !

কুমারখালীতে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত

সকালের কন্ঠ
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ৩৬ Time View

কুমারখালী কুষ্টিয়া প্রতিনিধিঃ

কুষ্টিয়া কুমারখালী উপজেলায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস-২০২২ এর স্বরনে বুধবার (১৪ ডিসেম্বর) সন্ধায় কুমারখালী পাবলিক লাইব্রেরীর আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে শহীদদের স্মৃতিরপতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নীরবতা পালন করা হয়।

এ সময়ে কুমারখালী পাবলিক লাইব্রেরী সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিতান কুমার মন্ডলের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ সমিতির সভাপতি এ,টি,এম আবুল মনছুর মজনু, সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা চাঁদ আলী, উপজেলা নাগরিক পরিষদের সভাপতি আকরাম হোসেন, কুমারখালী ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ শরিফ হোসেন, উপজেলা মহিলা পরিষদের সভাপতি হুসনেয়ারা বেগম, কবি ও লেখক লিটন আব্বাস, রাজনীতিবিদ আব্দুল হক, এডভোকেট মীর আরশেদ আলী, কুমারখালী পাবলিক লাইব্রেরী সাধারণ সম্পাদক মমতাজ বেগম, বীর মুক্তিযোদ্ধা, কবি সাহিত্যিক, শিক্ষক, সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ প্রমূখ।

এসময় বক্তারা বলেন, বুদ্ধিজীবীদের হত্যার মাধ্যমে জাতিগতভাবে মেধা শূণ্য করার ঘৃণ্য বর্বরোচিত হত্যা কান্ড ঘটিয়েছিল সেই প্রচেষ্টা আজ ব্যর্থ প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য যে,১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশে স্বাধীনতা যুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ের প্রাক্কালে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও তাদের সাথে রাজাকার, আল বদর, আল শামস বাহিনী বাংলাদেশের অসংখ্য শিক্ষাবিদ, গবেষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সাংবাদিক, কবি ও সাহিত্যিকদের চোখ বেঁধে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে তাদের নির্যাতনের পর হত্যা করে। চূড়ান্ত বিজয়ের প্রাক্কালে থাকায় স্বাধীন বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করতে পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাযজ্ঞ সংগঠিত হয়। পরিকল্পিতভাবে ১৪ ডিসেম্বরে সবচেয়ে বেশীসংখ্যক বুদ্ধিজীবী হত্যা করা হয়েছিল। বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ এই দিনকে ‘শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ ঘোষণা করেন।

শেয়ার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও
  • © All rights reserved shokalerkatho© 2023
Powered Sokaler Kontho
themesba-lates1749691102